আজ রবিবার| ৯ই আগস্ট, ২০২০ ইং| ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ রবিবার | ৯ই আগস্ট, ২০২০ ইং

নড়িয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে হামলা ভাঙচুর আহত-৩

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২০ | ১০:২১ অপরাহ্ণ | 279 বার

নড়িয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে হামলা ভাঙচুর আহত-৩

নড়িয়া (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভূমখাড়া ইউনিয়নের যোগপাট্টা গ্রামে জমি সংক্রান্ত সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে।

সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার (১৭ জুলাই ২০২০) সকাল ১১ টার দিকে বাড়ির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আতাউর রহমান খান ও কামাল খান এর মধ্যে কোথায় কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি এবং পরক্ষণে হামলা-ভাঙচুর সংঘটিত হয়।

উক্ত ঘটনায় আতাউর রহমান খান আলামিন ও মালেক খান গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদেরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আতাউর রহমান ও মালেক খানের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রাখা হয়েছে। তাদের ঘাড়ে পিঠে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে কাটাছেঁড়া নীলা ফুলা জখম রয়েছে।

ভূমখাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চাকধ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম খান জানান, দীর্ঘদিন যাবত আতাউর রহমান ও কামাল খান এর মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। দীর্ঘদিনের বিরোধ সমাধান এবং জমির সীমানা নির্ধারণ না করে উক্ত স্থানে ঘর তোলাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক আকারে সংঘর্ষ হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এতে আতাউর রহমান খান আলামিন মালেক খান সহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। এদের মধ্যে আতাউর রহমান খান ও মালেক খানের সার্বিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় প্রতিপক্ষের কামাল খাঁনের নেতৃত্বে কামাল খাঁনের নেতৃত্বে আকাশখান নাজমা সেলিনা তুম পাতাসহ অজ্ঞাত আরও ১৫/২০ জনের হামলায় আতাউর রহমান খান আলামিন ও মালেক খান খান বাড়ি ঘরে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও হামলা চালায়। এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মীম পোল্ট্রি ফিটের এর মালিক জানে আলম খান বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ তাঁরা জোরপূর্বক আমাদের জমি দখল করেছিল এবং হঠাৎ করে গত পরশুদিন সেখানে ঘর তুলতে ছিল কামাল খান ও তার লোকজন। তাদেরকে ঘর তুলতে নিষেধ করে বাধা প্রদান করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের উপর হামলা করে এবং আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে এবং আমাদের কয়েকজনকে গুরুতর আহত করেছে। আমরা এই সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে মুক্তি চাই এবং প্রশাসনের নজরদারি দাবি করছি। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঢুকে ভাঙচুর করেছে এবং অনেক মালামাল চেয়ার-টেবিল ভেঙেচুরে আমার প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে।

নড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, ভূমখাড়া ইউনিয়নে পারিবারিক জমিজমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে এরকম সংবাদ আমরা পেয়েছি এবং একপক্ষ অভিযোগ দায়ের করেছে আমরা অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এসময় হামলা ভাংচুরের ঘটনাও ঘটেছে এবং এই ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছে।

শেয়ার করুন-Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print

সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  
ফেইসবুক পাতা

error: Content is protected !!