আজ বুধবার| ১২ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ| ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ বুধবার | ১২ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সিলেটের কৃতি সন্তান

চলে গেলেন বিলেতের অন্যতম ইসলাম প্রচারক রেখে গেলেন স্মৃতি

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০ | ৩:৫৯ অপরাহ্ণ | 435 বার

চলে গেলেন বিলেতের অন্যতম ইসলাম প্রচারক রেখে গেলেন স্মৃতি

সিলেট প্রতিনিধি: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পর্ণ ইসলামী চিন্তাবিদ ও বহু গ্রন্থ প্রণেতা, উস্তাদুল উলামা ওয়াল মুহাদ্দিসীন, পীরে কামেল আল্লামা মুফতী মুজাহিদ উদ্দীন চৌধুরী দুবাগী ছাহেব (রহঃ) ১০ই জুলাই রোজ শুক্রবার জুম্মার পূর্বে বার্ধক্যজনিত রোগে লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯১ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। যুক্তরাজ্যে তিনি লেস্টারের ছাহেব হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।

মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৩ ছেলে, ১ মেয়ে, নাতী, নাতনী, অসংথ্য মুরিদান ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর বড় ছেলে আল্লামা জিল্লুর রহমান চৌধুরী লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ব্রিকলেন জামে মসজিদের খতীব। মেঝো ছেলে মাওলানা ওলিউর রহমান চৌধুরী নিউক্রস মসজিদের খতিব। ছোট ছেলে মাওলানা ক্বারী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ও ইসলাম প্রচারে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

তাঁর নামাজে জানাজা ১২ই জুলাই ২০২০ইং রোজ রবিবার বাদ জুহর লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ব্রিকলেন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল বৃটেনে লকডাউনের মধ্যে সর্ব বৃহৎ জানাজা। নামাজে ইমামতি করেন তাঁর বড় ছেলে হযরত আল্লামা জিল্লুর রহমান চৌধুরী এবং জানাজা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন উপমহাদেশের হাদীস বিশারদ শাইখুল হাদিস হযরত আল্লামা হবিবুর রহমান ছাহেব কিবলাহ।। পরে পূর্ব লন্ডনের মুসলিম কবরস্তান রিয়াদুস সালাম বা শান্তির বাগানে দাপন সম্পূর্ণ হয়।

জানাযা পূর্ববর্তী আলোচনায় বক্তারা তাঁর আলোকিত জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, তিনি ছিলেন বৃটেনে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের এক বর্ষীয়ান দিকপাল। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা বিশ্বাস প্রচার ও প্রসারে তাঁর অবদান বৃটেনের মুসলিম কমিউনিটি সর্বদা মনে রাখবে। খ্যাতনামা এই মুফতী তাকওয়া ও পরহেজগারীসহ বহুগুণের অধিকারী বিশিষ্ট বুযুর্গ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বক্তৃতা, মুনাজিরা ও লেখনীর মাধ্যমে তিনি দ্বীনের সঠিক শিক্ষা প্রসারে আমৃত্যু চেষ্টা করে গেছেন।

তিনি ইউকে ওলামা সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আল-ইসলাহ ইউকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ১৯৭৮ইং প্রধান উদ্যোক্তা হয়ে লন্ডনের দারুল হাদীছ লতিফিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি ছিলেন শামসুল উলামা হযরত আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (রহ.)এর অন্যতম খলিফা।

ব্রিকলেন জামে মসজিদের ইমাম হযরত মাওলানা নজরুল ইসলাম এর পরিচালনায় আলোচনায় অংশ নেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ শায়খুল হাদীস হযরত আল্লামা হবিবুর রহমান, সাবেক এমপি জনাব শফিকুর রহমান চৌধুরী, লাতিফিয়া ক্বারী সোসাইটির সভাপতি হযরত মাওলানা মুফতি ইলিয়াস হোসাইন, লাতিফিয়া উলামা সোসাইটি ইউকের প্রেসিডেন্ট হযরত মাওলানা শেহাব উদ্দিন, দারুল হাদীস লাতিফিয়ার প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা মুহাম্মদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী, কিগলী জামে মসজিদের খতীব হযরত মাওলানা ফখরুল ইসলাম, আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হযরত মাওলানা ছাদ উদ্দীন সিদ্দিকী, লাতিফিয়া উলামা সোসাইটি ইউকের সাবেক সেক্রেটারি হযরত মাওলানা মুফতি আব্দুর রহমান নিজামী, বায়তুল আমান জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা আব্দুল মালিক, বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা জনাব এ কে এম আবু তাহের চৌধুরী, দারুল উম্মার উস্তাদ হযরত মাওলানা মুমিনুল ইসলাম ফারুকী, বিশিষ্ট টিভি ব্যক্তিত্ব হযরত মাওলানা মুফতি আব্দুল মুনতাকিম, ব্রিকলেন জামে মসজিদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাজ্জাদ মিয়া, হযরত দুবাগী ছাহেব কিবলার বড় ছাহেবজাদা হযরত আল্লামা জিল্লুর রহমান চৌধুরী, মেজো ছাহেবজাদা হযরত মাওলানা ওলিউর রহমান চৌধুরী, তাঁর জামাতা হযরত মুফতী সৈয়দ মাহমুদ আলী, নিউক্রস জামে মসজিদ এর প্রেসিডেন্ট জনাব সেলিম রহমান, কানাইঘাট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়শন এর হযরত মাওলানা রফিক আহমদ প্রমুখ।

বক্তারা আরো বলেন, হযরত দুবাগী ছাহেব (রহঃ) আধ্যাত্মিক জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। দ্বীনি বিষয়ের একজন সুবক্তা, মুনাজিরে আজম, শায়খুল হাদীস এবং মুফতীয়ে আজম হিসেবে তাঁর বিশাল পরিচিতি ছিল। তাকওয়া ও পরহেজগারী সহ বহুগুণের অধিকারী বিশিষ্ট বুযুর্গ ব্যক্তিত্ব। তিনি মাসলা-মাসায়েল সম্পর্কে বিস্মিত হবার মত প্রগাঢ় জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। যে কোন কঠিন মাসলায় তাঁর দালিলিক সমাধান সর্বদলীয় ওলামায়ে কেরামের কাছে ঐক্যমতে গ্রহণযোগ্য ছিল। বিভিন্ন শহর থেকে ইমাম ও খতীবগণ তাঁর খেদমতে হাজির হয়ে জঠিল মাসালাগুলোর সমাধান জানতে চাইতেন। নিয়মিত তিনি কোরআন, হাদীস ও কিতাব চর্চা করতেন।

দেশে বিদেশে সমকালীন অসংখ্য আলেমের ওস্তাদ। তিনি অসংথ্য দেশ সফর করেছেন। আরবী, উর্দু ও ফার্সি ভাষায় তাঁর অগাধ পান্ডিত্য ছিল এবং এসব ভাষায় অনর্গল বক্তৃতা দিতেন। তিনি বাংলা, উর্দু এবং আরবী ভাষায় প্রায় শতাধিক প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাছাড়া আল্লামা দুবাগী ছাহেব (রহঃ)একজন প্রবন্ধকার ও ছিলেন, বিভিন্ন সময় দৈনিক ইনকিলাব, সিলেটের ডাক, জনমত, বাংলা পোস্ট, সুরমা, নতুন দিন, মাসিক শাহ জালাল এবং পরোয়ানায় নানাবিধ বিষয়ে তাঁর লেখা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। দেশে বিদেশে তিনি বহু মসজিদ, মাদরাসা ও খানেকা প্রতিষ্ঠায় সম্পৃক্ত থেকে দ্বীনি খেদমত আনজাম দিয়েছেন। হযরত দুবাগী ছাহেব (রহ) বৃটেনের অন্যতম প্রবীণ শ্রদ্ধাভাজন এক জন আলেম ও পীরে কামেল ছিলেন। তিনি মানুষকে শরীয়তের সঠিক দিক নির্দেশনা দিতেন। আল্লামা দুবাগী ছাহেব (রহঃ) হাজার হাজার মানুষকে আলোর পথে নিয়ে এসেছেন। তিনি ছিলেন ইমামে আহলে সুন্নাহ। আল্লামা মুজাহিদ উদ্দিন চৌধুরী ছাহেব কিবলা দুবাগী (রহঃ) সাত কিরাআতের ক্বারীউল কুররা ছিলেন। তাঁর ইন্তেকালে বিশ্ববরণ্য পীর মাশায়েখ, উলামায়ে কেরাম, রাজনীতিবিদ এবং কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

পীরে কামেল হযরত আল্লামা ইমাদ উদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী, ইয়েমেনের দার আল-মুস্তাফার প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিন শেখ হাবিব ওমর, মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ডঃ আবু লায়লা, সিরিয়ার গ্রান্ড মুফতী শেখ আব্দুল জলীল আল আতা আল বাকরী, পাকিস্তানের মিনহাজুল কুরআন ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা শাইখুল ইসলাম ডঃ মোঃ তাহির আলকাদরী, পাকিস্তানের সুলতান বাহু দরবার শরীফের পীর সুলতান ফিয়াজুল হাসান কাদরী, পীর নুরুল আরিফীন সিদ্দিকী নেরিয়ান দরবার শরীফ পাকিস্তান, আনজুমানে আল ইসলাহর কেন্দ্রীয় সভাপতি আল্লামা হুসাম উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী। মোঃ শাহাব উদ্দিন, এম.পি, মন্ত্রী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মৌলভীবাজার-২ আসনের সাংসদ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ, বৃটিশ এমপি রুশনারা আলী, কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ, সাবেক সচিব জনাব মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক রেজিস্ট্রার জনাব ইকতেদার আহমেদ, সাবেক সচিব ডঃ কবীর আশরাফ আলম, ডঃ মোঃ নুরুজ্জামান (পরিচালক, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি), আল্লামা সাদিক কোরেশী (আমীর, মিনহাজুল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল লন্ডন), প্রফেসর শাহগির বাকত ফারুক ( চীফ এডভাইজার ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স), বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডঃ হাসনাত হোসেন এমবিই, ব্যারিস্টার আতাউর রহমান (সভাপতি, গ্রেটার সিলেট ডেভেলোপমেন্ট কাউন্সিল), আল্লামা এজাজ আহমেদ নারোভী (আমীর, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত লন্ডন), জনাব গিয়াস উদ্দীন (সাবেক হাই কমিশনার লন্ডন), টাওয়ার হ্যামলেটসের সাবেক মেয়র জনাব লুৎফুর রহমান, আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকের প্রেসিডেন্ট হযরত আল্লামা আব্দুল জলিল, আনজুমানে আল ইসলাহ ইউএসের প্রেসিডেন্ট হযরত আল্লামা জালাল সিদ্দীক, দৈনিক ইনকিলাবের নির্বাহী সম্পাদক ও ঢাকা গাউসুল আজম মসজিদের খতীব আল্লামা কবি রুহুল আমিন খান, দৈনিক ইনকিলাবের সহকারী সম্পাদক আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব প্রফেসর মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ, ক্যামব্রিজ রিসার্চ একাডেমির এক্সেকিউটিভ ডিরেক্টর ডঃ আবুল কালাম আজাদ, লন্ডন দারুল উম্মার সাবেক প্রিন্সিপাল শাইখ আব্দুর রহমান মাদানী, আলহাজ্ব নাসীর আহমেদ (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মাল্টি-পারপাস সেন্টার বার্মিংহাম ), আলহাজ্ব আহমাদুল হক এমবিই (মেয়র, স্যান্ডওয়েল কাউন্সিল), সিলেট সরকারী আলীয়া মাদরাসার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সভাপতি হযরত মাওলানা মওদুদ হাসান, দাওয়াতুল ইসলাম ইউকের আমীর জনাব হাসান মঈনুদ্দিন, লংলিয়া দরবার শরীফ, বিয়ানী বাজার পৌর মেয়র জনাব আব্দুশ শুকুর ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন, আল্লামা দুবাগী ছাহেব কিবলার (রহঃ) ইন্তেকালে ব্রিটেনের মুসলিম কমিউনিটি একজন ভদ্র, জ্ঞানী, মুহাক্কিক, পরম বিনয়ী, ভাষাবিদ্, কলমসম্রাট ও বিদগ্ধ বুযুর্গ আলেম, আল্লাহর ওলী এবং অভিভাবককে হারালো। তাঁর অভাব কখনোই পূরন হবার নয়।তাঁরা দোয়া করেন মহান রব্বুল আলামিন এ মহান বুজুর্গের সব নেক কাজ কবুল করে তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও ভক্তদের ধৈর্য্য ধারণের তাওফিক দেন।

সিলেট জেলার বিয়ানী বাজার উপজেলার দুবাগ নিবাসী আল্লামা মুজাহিদ উদ্দিন চৌধুরী (রহঃ) ১৯২৯ সালে জন্ম গ্রহন করেন। শিক্ষা জীবনে তিনি দাখিল থেকে ফাজিল সকল স্তরে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। আলেম পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্টার বৃত্তি পেয়েছেন। তিনি গাছবাড়ি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ফাজিল ও সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল কৃতিত্বের সাথে পাশ করেন। ১৯৬১ সালে কামিল ক্লাসে অধ্যয়ন কালে তিনি সিলেট জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন।

কর্মজীবনে আল্লামা মুজাহিদ উদ্দিন চৌধুরী (রহঃ) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রিন্সিপাল, সুনামখ্যাত ওস্তাদ ও মুফতী ছিলেন। ১৯৭৮ সালে স্থায়ীভাবে ব্রিটেনে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসার খিদমতে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি তাঁর কর্ম জীবন এর একটা বড় অংশ ব্রিটেনের লেস্টার শহরের দারুস সালাম মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা এবং খতীব হিসেবে কাটিয়েছেন বলে ব্রিটেনে তিনি লেস্টারের ছাহেব নামে সুপরিচিত ছিলেন। প্রায় চার দশক সেখানে তিনি প্রতিদিন আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত দরসে হাদিস তথা ইসলামিক আলোচনা করতেন। প্রতি রবিবারে কোরআন থেকে তাফসীর করতেন। বৃহস্পতিবারে খানকা তথা জিকির ও এবাদতের অনুষ্ঠান ছিল খুবই জনপ্রিয়। তাঁর প্রচেষ্টায় অনেক সাধারণ মানুষকে আলিমে পরিণত করেন।

গত ১৭ই জুলাই ২০২০ইং রোজ শুক্রবার বাদ জুম্মা ব্রিক লেন মসজিদে আল্লামা দুবাগী ছাহেব (রহঃ) এর ঈসালে সাওয়াব উপলক্ষে তাঁর পরিবার খতমে কোরআন ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন। দোয়া পরিচালনা করেন উপমহাদেশের হাদীস বিশারদ শাইখুল হাদিস হযরত আল্লামা হবিবুর রহমান ছাহেব কিবলাহ।

শেয়ার করুন-Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print

সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  
ফেইসবুক পাতা

error: Content is protected !!