ঢাকা, শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘমেয়াদী মন্দার কবলে নড়িয়া বাজার ব্যবসা-বানিজ্য

দীর্ঘমেয়াদী মন্দার কবলে পড়েছে নড়িয়া বাজার ব্যবসায়ীগণ। একসময় শরীয়তপুর জেলার ৭টি থানার মধ্যে আধুনিক দোকান ও কেনা-বেচার শীর্ষে ছিল নড়িয়া বাজার। বাংলাদেশের মধ্যে বৈদেশিক রেমিট্যান্সে ২য় অবস্থায় থাকায় অতি দ্রæত উন্নতি করতে থাকে নড়িয়া উপজেলা। সেই সাথে মূলফৎগজ্ঞ, নলতা, কেদারপুর, এলাকায় প্রবাশী বেশি থাকায় জমে উঠে নড়িয়া বাজার। কিন্তু পদ্মার আগ্রাসী ভাঙন তান্ডবে ঐ সকল এলাকার পরিবারগুলো ছিন্ন ভিন্ন হয়ে অন্যতে চলে যাওয়ায় নড়িয়া বাজারে বেচাকেনা থমকে যায়।

সম্প্রতি আমাদের শরীয়তপুর সংসদীয় আসন-০২ এর মাননীয় পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ,কে,এম এনামুল হক শামীম এর দীর্ঘ শ্রম প্রচেষ্টায় বেরিবাঁধের কাজ এগিয়ে চলছে। নড়িয়া বাজার ব্যবসায়ীগণ আবার ঘুরে দাড়াঁনোর স্বপ্ন দেখতে থাকে। কিন্তু বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে ৩মাস লকডাউনে দোকান খুলতে না পারায় ব্যবসায়ীরা ঋণের ফাঁদে পড়ে যায়। লকডাউন উঠে গেলে শুরু হয় বন্যা। এতে বাজারের কেনা-বেচা একেবারেই কমে যায়। কেনা-বেচা না থাকায় ব্যবসায়ীগণ ঠিকমত ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে অনেকে দোকান ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে নড়িয়া বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম রুবেল বলেন আগের তুলনায় এখন অর্ধেক বেচা-কেনা হয় না। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে টিকে থাকা দায়। আমাদের দাবী যত দ্রুত সম্ভব নড়িয়া ব্রীজটি সংস্কার করার।

বাজারে আরেক মুদি দোকানদার মোঃ আউয়াল মিয়া বলেন- মানুষ যতটুকু চাহিদা তার বেশি না কেনায়, ভাঙন পরিবারগুলো অন্যতে চলে যাওয়ায় বেচাকেনা কমে গেছে সেই সাথে করোনা ভাইরাস তো আছেই। চা বিক্রেতা মোঃ নাঈম বলে আগের দৈনিক ১০০০/- থেকে ১২০০/- টাকা মুনাফা থাকত এখন ৪০০/- থেকে ৫০০/- মুনাফা হয়। যা দোকান ভাড়া দিয়ে সংসার চালানো দায়।

এ বিষয়ে নড়িয়া বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল বলেন- এতে বাজারের ব্যবসায়ীগণ দীর্ঘ মেয়াদী মন্দার সম্মুখীন হচ্ছেন।


error: Content is protected !!