ঢাকা, সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রাশিয়া ১১৬ ফাইটার জেট আনছে ভারত

চলতি বছরের শেষেই রাশিয়া থেকে ১১০টিরও বেশি ফাইটার জেটের আনছে ভারত। দেশটির বিমানবাহিনীর ফাইটার জেটের সংখ্যা ক্রমশ কমতে থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাশিয়া থেকে চলতি বছরের শেষে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসেই ১১৬টি অত্যাধুনিক ফাইটার জেট আনানোর পরিকল্পনা রয়েছে।দ্যা প্রিন্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়ে ২১টি মিগ ২৯ আনানো হবে। সূত্রের খবর ১৯৮০ সালে এই মিগ বিমানগুলোর কাঠামো তৈরি হয়েছিল, কিন্তু কখনও ব্যবহার করা হয়নি। কাঠামো পুরোনো হলেও এর যন্ত্রপাতি অত্যাধুনিক হবে বলে জানানো হয়েছে। মিগ ছাড়াও ১২টি এসইউ-৩০ এমকেআই আনানো হবে বলে। আরও আনানো হতে পারে ৮৩টি তেজস মার্ক ১এ।

 

এক অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানিয়েছেন বিমান বাহিনীর প্রধান আরকেএস বাদোরিয়া। তিনি বলেন, যেখানে বিমান বাহিনীর ৪০ স্কোয়াড্রন ফাইটার থাকার কথা, সেখানে ৩০ স্কোয়াড্রন ফাইটার রয়েছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই বাতিল হয়ে যাওয়া মিগ চালান।ভারত এমন এক সময় এসব ফাইটার জেট আনতে যাচ্ছে যখন চীনের সঙ্গে সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। এদিকে, পূর্ব লাদাখে আরও ৬০ হাজার সেনা জওয়ান মোতায়েন করেছে ভারত।

 

মোতায়েন করা হয়েছে ভীষ্ম ট্যাংক, অ্যাপাচে অ্যাটাক হেলিকপ্টার, সুখোই ফাইটার জেট, চিনুক ও রুদ্র হেলিকপ্টার। চীন সীমান্তে চলছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কড়া নজরদারি। বাদোরিয়া জানিয়েছেন, চীনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের সময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যেখানে এয়ার স্ট্রাইক চালাবে বিমান বাহিনী।তবে যে কোনও সময় এয়ার স্টাইকের জন্য বিমান বাহিনী তৈরি। তিনি বলেন, সীমান্তে চীনের আগ্রাসী মনোভাব ও দখলদারির স্বভাব ভারত সুনিপুণ দক্ষতায় রুখে দিয়েছে। ভারতীয় সেনা ও বিমান বাহিনীর কড়া নজরদারিতে এগোতে সাহস পায়নি চীন।

 

এদিকে, সামরিক শক্তিতে চীন পাকিস্তানকে টেক্কা দিয়ে এগিয়ে যেতে চলেছে ভারত। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি ফিফথ জেন ফাইটার জেটের ইঞ্জিন পেতে চলেছে বিমান বাহিনী। ইতোমধ্যেই এই ইঞ্জিন তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও।এই প্রথম ভারতের বিমান বাহিনীর হাতে আসবে ফিফথ জেন ফাইটার জেটের ইঞ্জিন, যা সম্পূর্ণ ভাবে দেশে তৈরি। ফিফথ জেনারেশন অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফটের জন্য যা তৈরি করা হচ্ছে। ইকোনমিক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ডিআরডিওর পরিকল্পনা রাফায়েল জেটের জন্য এই ইঞ্জিন অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হবে।


error: Content is protected !!