ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সখিপুরে আদালতের রায়কে উপেক্ষা করে জমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানায় আদালতের রায়কে উপেক্ষা করে জমি দখলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রভাবশালী মতিন রাড়ী, সেলিম রাড়ী, মনির রাড়ীগংরা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

 

সখিপুর ছৈয়লকান্দি গ্রামে এ ঘটনা সূত্রপাত। এ ঘটনায় শরীয়তপুর আদালতে দেওয়ানি মামলা হওয়ার পর রায় পেয়েছেন ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম রাড়ী।

 

এলাকাবাসী জানান, ছৈয়ালকান্দি গ্রামের কাশেম রাড়ী, মাফিয়া খাতুনগংদের কাছ থেকে গং ক্রয় সূত্রে ৯০ নং চর সখিপুর মৌজায় আরএস ৭৭৪ ও এসএ ৯০৮ নং খতিয়ানে যা বিআরএস ৬২০নং খতিয়ানে ১৬৪১৫, ১৫৬৯৩ নং দাগের ১ একর ২৩ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেরা ভোগদখল করে আসছে। যা দলিলমূলে আরএস, এসএ ও বিআরএস খতিয়ান রেকেডিও মালিক সাইফুল ইসলাম রাড়ী।

 

ব্যক্তি স্বার্থ সিদ্ধির জন্য অন্যের প্ররোচনায়

প্রভাবশালী মতিন রাড়ী, সেলিম রাড়ী, মনির রাড়ীগংরা সেই জমি তাদের দাবি করে দখলের চেস্টা করছে।

 

এরপর ওই জমির ওপর বাদী হয়ে আদালতে

দেওয়ানি মামলা করেন মতিন রাড়ী। মামলায় বিবাদী করা হয় সাইফুল ইসলাম রাড়ীকে। কিন্তু আপোষ মিমাংসা মতে সেই জমির ওপর আদালতের রায় পান বিবাদী সাইফুল ইসলাম রাড়ী।

 

ওই জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও হামলারকথা কেন ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তাই বিষয়টি নিরসনে লপ্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাইফুল ইসলাম রাড়ীসহ এলাকাবাসী।

 

সাইফুল ইসলাম রাড়ীর মেয়ে সুমি আক্তার পপি বলেন, এখানে ১ একর ২৩ শতাংশ জমি আমার বাবার। যা আদালত থেকেও আপোষ মতে ছাহাম বন্টন ডিগ্রি পেয়েছেন বাবা। কিন্তু সেই জমি স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপি নেতা রাজিব সরদারের ক্ষমতা বলে মতিন রাড়ী, সেলিম রাড়ী, কামাল রাড়ী ও মনির রাড়ী দখল করার পাঁয়তারা করছে। নিজেদের জমি হওয়া সত্ত্বেও ভোগ করতে পারছি না। আমাদের জমিগুলো সঠিকভাবে ভোগ করতে চাই। তাই প্রধানমন্ত্রী ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রীর দৃস্টি আকর্ষণ করছি।

 

সাইফুল ইসলাম রাড়ী বলেন, আমার বাবা, কাকা, কাকি, ফুফুগংদের কাছ থেকে সাব-কবলা মূলে ওই জমি ক্রয় করি। কিন্তু ভোগ করতে পরছি না। এর একটি সমাধান চাই। এ ব্যাপারে সখিপুর থানায় একটি অভিযোগও করেছিলাম।

 

এদিকে মতিন রাড়ী মুঠোফোনে বলেন, সেখানে ৮৩ শতাংশ জমি বড় ভাই সাইফুল ইসলাম রাড়ীর। এছাড়াও অতিরিক্ত ১৬ শতাংশ জমি তিনি বেশি খাচ্ছেন। সেই জমিগুলো আমাদের। যা স্থানীয় সালিশগণ ও আদালত জানে।

 

এ বিষয়ে সখিপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, যায়গা জমি দেওয়ানি আদালতের বিষয়। তবে আইনশৃঙ্খলা অবনতি হলে অথবা আদালতের নির্দেশনা থাকলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেই।


error: Content is protected !!