ঢাকা, সোমবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, সোমবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির কাচালং নদীতে লঞ্চ চলাচল শুরু

মারিশ্যা হতে জেলা সদর রাঙামাটি নৌপথ

এম জামান রাজ, স্টাফ রিপোর্টার,খাগড়াছড়ি : রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার মারিশ্যা রাঙামাটি নৌ পথে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। কাচালং নদীর নাব্যতা সংকটের দরুন প্রায় ৬ মাস যাবত উপজেলাবাসীর অধিকাংশ মানুষ কর্মহীন ও যাতায়াত সহ সকল প্রকার পণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছে। গত কয়দিনের ভারী বর্ষনের ফলে নদীর পানি বেড়ে গিয়ে এখন লঞ্চ সহ সকল প্রকার নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। এতে করে উপজেলাবাসীর মাঝে উৎসাহ উদ্দিপনা বিরাজ করছে।

 

উপজেলার সাথে রাঙামাটি জেলা সদরে যোগাযোগের একমাত্র নৌ পথ ঐতিয্যবাহী কাচালং নদীটি ।ওই নদীকে কেন্দ্র করে উপজেলার অধিকাংশ মানুষ মৌসমী ফল, মাছ, বাশঁ,গাছ সহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহন ও মাছ শিকার করে জিবিকা নির্বাহ করে থাকেন। নদী পথ সচল থাকলে সরকার প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় সহ উপজেলার অধিকাংশ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।উপজেলাবাসীর দাবী ঐতিয্যবাহী কাচালং নদীটি খনন পূর্বক পুনরায় সচল রাখতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

 

উল্লেখ্য যে, শুকন মৌসমে নদীটি ধিরে ধিরে তার নাব্যতা সংকটে পড়ে সম্পূর্ণরুপে অচল হয়ে পড়ে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে নদীর নাব্যতা সংকটে পড়ে উপজেলার মারিশ্যা লঞ্চ ঘাট থেকে সকল প্রকার নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।গত কয়দিনের ভারী বর্ষনের ফলে নদীর পানি বেড়ে গিয়ে প্রায় ৬ মাস পর আবার শুক্রবার (১২আগষ্ট) থেকে উপজেলার মারিশ্যা হতে জেলা সদর রাঙামাটি নৌপথ চালু হলো।এতে এলাকাবাসীর মাঝে চরম উৎসাহ উদ্দিপনায় বিরাজ করতে দেখা গেছে।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরিফুল ইসলাম বলেন,উপজেলার ঐতিয্যবাহী কাচালং নদীটির যতেষ্ট গুরুত্ব ও তাৎপর্যতা রয়েছে।নদীকে কেন্দ্র করে অসংখ্য মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছে এটি পরিকল্পিত ভাবে খনন করা প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।প্রতি বছর বর্ষা মৌসমে উজান থেকে নেমে আসা পলিমাটি দ্বারা নদীটি ক্রমশ ভরাট হচ্ছে। উপজেলাবাসীর লিখিত আবেদন পেলে আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট খনন কাজ পরিচালায় সুপারিশ করবো।


error: Content is protected !!