ঢাকা, সোমবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, সোমবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

আগামীকাল শুরু হচ্ছে না মঙ্গলমাঝি-শিমুলিয়া ঘাটে ফেরি চলাচল!

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মঙ্গলমাঝি ঘাটে শুরু হচ্ছে না ফেরি চলাচল। ফেরিঘাট নির্মাণের কাজ শেষ হলেও আগামীকাল শুক্রবার (২৭ আগষ্ট) সকাল থেকে ফেরি চলাচল করার কথা থাকলেও আপাতত তা আর হচ্ছে না।

 

পদ্মা সেতুর পিলারের সাথে চার বার ফেরির ধাক্কা লেগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তার পর সেতু এলাকা এড়ানোর জন্য বাংলাবাজার ঘাটকে সরিয়ে মঙ্গলমাঝির ঘাটের সাথে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ফেরি চলাচলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

 

নাব্যতা সংকটের কারণে আপাতত ঘাটটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। আগামী রবিবার ঘাটটি দিয়ে ফেরি চলাচল শুরু হতে পারে। বৃহস্পতিবার রাতে এম তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিএর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. হারিস আহামদ পাটোয়ারী।

 

বৃহস্পতিবার জাজিরা-শিমুলিয়া ফেরিঘাটে পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি চলাচলের কথা জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে শুক্রবার থেকে ফেরি চলাচল শুরু হওয়ার কথা ছিল বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ।

 

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানিয়েছে, বুধবার ৩৭ থেকে ৩৯ নম্বর পিলার এলাকার চ্যানেলে পানির গভীরতা ছিল ১২ ফুট। বৃহস্পতিবার গভীরতা পাওয়া গেছে ৬ ফুট। সংস্থার হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ নিয়মিত পানির গভীরতা পর্যবেক্ষণ করছে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে ঘাটে ফেরি পরিচালনার বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে।

 

বিআইডব্লিউটিএ এর সহকারী প্রকৌশলী মো. হারিস আহামদ পাটোয়ারী বলেন, ফেরিঘাট নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে গতকাল। নদীতে নাব্যতা সংকট ও রাস্তা প্রশস্ত না থাকায় চালু হচ্ছে না ঘাটটি। সমস্যা সমাধান করে ফেরিঘাটটি চালু করা হবে।

 

এদিকে গত ১৮ আগস্ট থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথ বন্ধ থাকায় এই পথের যাত্রীরা পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া পথ ব্যবহার করছেন। বাড়তি চাপে সেখানে তৈরি হচ্ছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। ফেরি পারের জন্য ঘাটে অনেক সময় ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে যাত্রীদের।

 

এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর পিলারে চারবার ফেরির ধাক্কা লেগেছে। ২৩ জুলাই নির্মাণাধীন সেতুটির ১৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে শাহজালাল নামের একটি রো রো ফেরির ধাক্কা লাগে। এতে ফেরির অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন। এরপর ৯ আগস্ট বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নামের আরেকটি রো রো ফেরি ১০ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়। ১০ নম্বর পিলারেই ১৩ আগস্ট কাকলি নামের একটি ফেরি ধাক্কা দেয়। এরপর ফেরিঘাট সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


error: Content is protected !!