ঢাকা, সোমবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, সোমবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ভারত ফেরত যাত্রীদের বেনাপোলে জাল রেফারেল ফর্ম দিয়ে কোরেন্টাইন ছাড়!

ইয়ানূর রহমান : যশোরের বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত থেকে আসা বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে না পাঠিয়ে কাগজপত্র জাল করে বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট চক্র।

 

রবিবার দুপুর সাড়ে ৩ টার দিকে ভূয়া সিল সহ একটি জাল রেফারেল ফর্ম মিরা রানী সাহা পাসপোর্ট নং বি/এন-০৬৩৩৯২৫ নামে এক যাত্রীর কাছ থেকে উদ্ধার করেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলীফ রেজা। এ সময় সিন্ডিকেটের সদস্যরা ছিটকে পড়ে । তবে এ সিন্ডিকেট সদস্যদের সাথে স্বাস্থ্য কর্মী হাসানুজ্জামান জড়িত থাকতে পারে বলে অনেকেই জানিয়েছেন। তাদের দাবি যদি স্বাস্থ্য কর্মী হাসানুজ্জামান কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাহলে বেড়িয়ে আসবে মূল রহস্য।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই বলেন পাসপোর্ট যাত্রীদের ডাবল টিকা, ক্যান্সার,কিডনি রোগীর ছাড়া যে সমস্থ রোগীদের ডাবল টিকা দেওয়া নেই তাদের অনেকের কাছ থেকে একটি সিন্ডিকেট চক্র ১৫থেকে২০ হাজার টাকা নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের সহযোগীতায় রেফারেল ফর্ম জাল করে প্রাতিষ্ঠানিক কোরেন্টাইন না পাঠিয়ে যাত্রীদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।এদিকে স্বাস্থ্য কর্মী হাসানুজ্জামান কে প্রায় ৬ মাস আগে চেকপোস্ট থেকে বদলী করা হলেও তাকে চেকপোস্টে ডিউটি করতে দেখা যায়।

 

রবিবার(৫সেপ্টেম্বর)চেকপোস্ট স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডিউটি ছিলেন ডঃ আবু তাহের, স্বাস্থ্য কর্মী হাসানুজ্জামান, মাহবুব ও প্রমিলা। এ ব্যাপারে ডাঃ আবু তাহের মোবাইলে জানান বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলীফ রেজা স্যার ইমিগ্রেশনে এসে পাসপোর্ট যাত্রী মিরা রানী সাহা যার পাসপোর্ট নং বি/এন-০৬৩৩৯২৫। তার কাজ থেকে জাল রেফারেল ফর্ম উদ্ধার করেন। আরো বলেন জাল সনদে সিলও স্বাক্ষরের সাথে আমাদের স্বাক্ষরের কোন মিল নেই। তবে ধারণা করা হচ্ছে সনদপত্রটি বাহিরে থেকে ফটোকপি করা হয় সেখান থেকেও জাল হতে পারে।

 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বহী অফিসার মীর আলিফ রেজা জানান,এক পাসপোর্ট যাত্রীর কাছ থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি জাল সিল সংযুক্ত রেফারেল ফর্ম(সনদপত্র) জব্দ করা হয়েছে ।জাল সনদপত্র কি ভাবে যাত্রীরা পেল বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগে সাথে আলোচনা করে তদন্ত করে দেখা হবে।

 

উপেজলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ডাঃইউসুফ খান জানান, ইমিগ্রেশনের জাল সনদপত্রের বিষয় আমি জানি না,তবে যাত্রীদের কাছে কি ভাবে জাল সনদপত্র আসছে সেটা তদন্ত করে দেখা হবে।


error: Content is protected !!