ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শরীয়তপুরে পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়কে কাজে ধীরগতি, এমপি’র ক্ষোভ!

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: পদ্মা সেতুর মহা সড়ক থেকে শরীয়তপুর শহর পর্যন্ত ফোরলেন সড়কে নির্মাণ কাজে ধীরগতির কারণে সংবাদ সম্মেলন করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু।

গতকাল বুধবার (২৯ জুন) রাত ৯টায় শরীয়তপুর শহরের চৌরঙ্গী এলাকায় তার নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি সড়কের এই বেহাল দশা এবং নির্মাণ কাজে ধীরগতির জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ইকবাল হোসেন অপু এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা হচ্ছেন উন্নয়নের মহারানী। তার নির্দেশেই আমাদের শরীয়তপুরে পদ্মা সেতুর এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ফোর লেনের সড়ক বরাদ্দ হয়েছে। আমাদের ৩ সংসদ সদস্যের ডিও লেটারের ওপর ভিত্তি করে শরীয়তপুরের মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রী ২০২০ সালে একনেকে ১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকার ফোর লেন প্রকল্পের অনুমোদন দেন। অনুমোদনের পর দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর অতিবাহিত হলেও নানান জটিলতায় আশানুরূপ কাজ হয়নি।’
তিনি আরো বলেন, ‘পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় এই সড়কে যানবাহনের চাপ অনেক বেড়েছে। সড়কে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। ঢাকা থেকে আসার পথে আমিও জানজটে আটকা পরেছিলাম।’
জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানায়, পদ্মা সেতু হয়ে যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী শরীয়তপুর থেকে পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার চার লেনের সড়ক উন্নয়নের প্রকল্প অনুমোদন দেয় একনেক। চলতি বছরের জুন মাসের মাধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ সহ নানা জটিলতায় কাজের অগ্রগতি হয়েছে ২০ শতাংশ। বর্তমানে শরীয়তপুর থেকে কাজিরহাট পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার ২৪ ফুট ও কাজিরহাট থেকে পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক পর্যন্ত ১২ ফুট প্রস্থের সড়ক রয়েছে। সরু এই সড়কে যানবাহন চলাচলে ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের।
শরীয়তপুর জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের অপু বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ শফিকুর রহমান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ কেস) নিষ্পত্তি করে আমাদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। বাকিগুলো এখনো কোনো সুরাহা হয়নি। তাই আমাদের কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া শরীয়তপুর চাঁদপুর মহাসড়কের চারজন ঠিকাদার প্রায় এক দেড় বছর যাবত ওয়ার্ক অর্ডার নিয়ে বসে আছেন। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে কাজ করতে পারছেন না। তবু আমরা কিছু কিছু জায়গায় কাজ শুরু করেছি।