ঢাকা, সোমবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, সোমবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কে কালভার্ট ধ্বস যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

  • 7Words
  • Views

এম জামান রাজ, স্টাফ রিপোর্টার, খাগড়াছড়ি :
অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে জেলার পানছড়ি- খাগড়াছড়ি সড়কের কালভার্ট ডেবে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

 

২৬ জুলাই ২০২২ মঙ্গলবার ভোরে অতি বৃষ্টিতে পাহাড়ী ঢলে নিন্মাঞ্চল ডুবে যায় ও পানছড়ি – খাগড়াছড়ি সড়কের শুকনাছড়ি ছড়ার পানির স্রোতে দক্ষিণ নালকাটায় কালভার্ট ডেবে গিয়ে রাস্তা ভেঙ্গে পড়ে। খাগড়াছড়ি -পানছড়ি উপজেলা যাতায়তের একমাত্র সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

সিএনজি চালক ওয়াজিব উল্লাহ জানান,সকাল পর্যন্ত সড়কটি ভাল ছিল । ১১ দিকে পানির স্রোত বেড়ে যাওয়ায় কালর্ভাটি ভেঙ্গে পড়ে। এখন প্রায় অতিরিক্ত ১০ কিলোমিটার ঘুরে সরু রাস্তায় জেলা সদরে যাত্রী নিয়ে যেতে হচ্ছে আমাদের।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বিনয় বিকাশ চাকমা জানায়, এই কালর্ভাটটি বহুদিন ধরে ঝুকিপূর্ন ।সড়ক ও জনপদকে অনেকবার বলার পরও কিছুই করে নাই। মঙ্গলবার ভোর রাতের ভারী বৃষ্টিতে শুকনো ছড়ি ছড়ায় পাহাড়ী ঢলে দক্ষিণ নালকাটায় বক্স কালভার্টটি ডেবে গিয়ে পানছড়ি -খাগড়াছড়ি সড়ক দ্বি-খন্ডিত হয়ে পড়ে।

অপর দিকে দমদম, কলাবাগান এলাকায় গোলকপ্রতিমা ছড়ার পানি উপচে বেশ কিছু বাড়িতে পানি প্রবেশ করে। এছাড়াও সাবেক ইউপি সদস্য জয় প্রসাদ দেব জানান, পানছড়ি বাজার এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়ায় এখনো জলাবদ্ধতায় আটকে আছে বেশ কিছু পরিবার। স্থানীয়রা জলাবদ্ধতা নিয়ে প্রসাশনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

 

বিচ্ছিন্ন সড়ক পরিদর্শনে আসা পানছড়ি উপজেলা নির্বাহি অফিসার রুবাইয়া আফরোজ বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে আসি। বিষয়টি জেলা প্রশাসক সহ সড়ক ও জনপথ বিভাগকে অবগত করিয়েছি। দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করণে পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে।

সড়ক ও জনপদের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন বারি বর্ষনে মাটি নরম হওয়ায় কালর্ভাটটি ধেবে গেছে। আমরা দুই একদিনের মধ্যেই একটি ষ্টিলের ব্রীজ নির্মান কাজ শেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে পারব বলে আশাকরি।

অপর দিকে দমদম, কলাবাগান এলাকায় গোলক প্রতিমা ছড়ার পানি উপচে বেশ কিছু বাড়িতে পানি প্রবেশ করে। এছাড়াও সাবেক ইউপি সদস্য জয় প্রসাদ দেব জানান, পানছড়ি বাজার এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়ায় এখনো জলাবদ্ধতায় আটকে আছে বেশ কিছু পরিবার। স্থানীয়রা জলাবদ্ধতা নিয়ে প্রসাশনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।