ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গু দূর্যোগ মোকাবেলায় সিটি কর্পোরেশন কাউন্সিলরদের অবহেলা চোখে পরার মতো: জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি

  • 8Words
  • Views

বেশ কয়েক বছর ধরে ডেঙ্গু প্রকট আকার ধারণ করেছে তবে চলতি বছরে সব থেকে বেশি সমস্যার মুখোমুখি সাধারণ জনগণ। ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকার ও জনগণের সমন্বিত প্রয়াস জরুরি হলেও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন সহ জেলা শহরগুলোতে কাউন্সিলরদের অবহেলার কারণে ডেঙ্গু এখন দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। আজ ১৬ নভেম্বর সকালে জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম মসজিদের পূর্ব গেটে তৃণমূল মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ডা: মাহতাব হোসাইন মাজেদ দাবি করেন কাউন্সিলরদের ব্যর্থতার জন্য ডেঙ্গু দুর্যোগ সৃষ্টি হয়েছে। সবুজ আন্দোলন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের অর্থ সম্পাদক আলমগীর হোসেন পলাশ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার।

 

উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রত্যাশার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন। প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ।বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈবিক আমার বার্তার বার্তা নিউজ এডিটর সৈয়দ রেফাত সিদ্দিকী, সবুজ আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান, বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের ব্যবসায়ী উজ্জ্বল হোসেন।

 

প্রধান অতিথি বলেন, ডেঙ্গু দুর্যোগ মোকাবেলায় সমন্বিত প্রয়াস দরকার। এই বিষয়ে গবেষণা জোরদার করা এবং জাতীয় মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে। সরকারিভাবে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি প্রত্যেক জনপ্রতিনিধিকে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি সকল সরকারি বেসরকারি সংগঠনকে একত্রিত করে সারা দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

উদ্বোধক তার বক্তব্য বলেন, ডেঙ্গু দুর্যোগ মোকাবেলায় ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়ররা গণমাধ্যমে যতটা সরব কাজে ততটা ব্যর্থ। জনগণ নিয়মিত ট্যাক্স পরিশোধ করলেও সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সেবা থেকে বরাবরই জনগণ বঞ্চিত। আগামী জাতীয় নির্বাচনে জনপ্রিয়তা বজায় রাখতে এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

 

প্রধান আলোচক বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সারা দেশে ১৬ হাজার রোগীকে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ ও স্বাস্থ্য সেবা দিয়েছি। আমরা প্রত্যাশা করি ডাক্তার এবং সেবা প্রত্যাশী রোগীদের সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুব উপযোগী করা সম্ভব। তবে বর্তমান সময়ে ডেঙ্গু দুর্যোগ মোকাবেলায় সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের নীরবতা আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। বর্তমান সরকার উন্নয়নের চেষ্টা করলেও দলের কিছু নেতাদের দায়িত্বহীনতার কারণে জনগণ সুফল পাচ্ছে না।

 

ওষুধ বিতরণ ও স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচিতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ২ শতাধিক রোগীকে ওষুধ প্রদান করা হয়।