ঢাকা, মঙ্গলবার, ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আ. লীগের নৌকার ফেস্টুন বহনকারী মোঃ আলীর উপরে হামলা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: গত ৩০ জানুয়ারি শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় আ.লীগের ফেস্টুন বহনকারী মোহাম্মদ আলীর ওপর হামলার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার পরিবার।

 

মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে শরীয়তপুর শহরের চৌরঙ্গী সংলগ্ন বাসুদেব সুপার মার্কেটে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

 

এ সময় মোহাম্মদ আলী, তার মা শাহিদা বেগম, স্ত্রী হেলেনা আক্তার পাখি, ছেলে সাইফুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, সদস্য দেলোয়ার হোসেন তালুকদার,

ভেদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুল মান্নান হাওলাদার, জেলা কৃষক লীগের যুগ্মআহবায়ক আমির হোসেন পঞ্চায়েত প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আলী জানান, ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে থাকেন তিনি। আওয়ামী লীগের কোন সভা, মিছিল ও মিটিংসহ যে কোন অনুষ্ঠানে তিনি আওয়ামী লীগের ফেস্টুন বহন করেন।

 

তিনি জানান, গত ২৯ জানুয়ারি শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার চৌকদারের বাড়ির সামনের সড়ক দিয়ে মাথায় করে মাটির নৌকা ও হাতে ফেস্টুন নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা আলীকে লোহার রড দিয়ে এলোপাথাড়িভাবে পিটাতে থাকে। তখন তার ডান পা ভেঙ্গে যায়। শরীরের বিভিন্ন যায়গায় আঘাত প্রাপ্ত হন। পরে হামলাকারীরা তার নৌকা ভেঙ্গে ফেলে। যারা তাকে উদ্ধার করতে আসে তাদেরও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আলীকে উদ্ধার শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

আলী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকাকে আমি ভালোবাসি।

 

আওয়ামী লীগের নৌকা ও ফেস্টুন বহন করি এটা কি আমার অপরাধ? আবুল বাশার চৌকদারের সমর্থকরা আমাকে মারধর করেছে, পা ভেঙ্গে ফেলেছে দুঃখ নাই। কিন্তু নৌকা কেন ভাঙ্গলো? এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

 

আলীর ওপর হামলার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন উপস্থিত আওয়ামী লীগের নেতারা।

 

ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম রশিদুল বারী বলেন, ওই ঘটনায় গত ২৯ জানুয়ারি রাতে ৩৬ জন ও অজ্ঞাত ১০০জনকে আসামী করে ভেদরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন ভেদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুল মান্নান হাওলাদার। মামলার পর আসামী দেলোয়ার রাড়ি, কাঞ্চন বেপারী ও হারুন সরদারকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


error: Content is protected !!