ঢাকা, বুধবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, বুধবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ছত্তীসগড়ে মাওবাদী হামলা, ২২ জওয়ান নিহত

ছত্তীসগড়ের জাগারগুন্ডা-জোঙ্গাগুড়া-তারেমে মাওবাদী হামলার ঘটনায় অন্তত ২২ জন জওয়ান নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরো অন্তত ৩০ জন জওয়ান আহত হয়েছেন।

 

জওয়ানদের কাছ থেকে ১২টিরও বেশি আধুনিক অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গেছে মাওবাদীরা। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, অন্তত ২৫-৩০ জন মাওবাদীও এ ঘটনায় নিহত হয়েছে। তবে ঘটনাস্থল থেকে কেবল একজন মাওবাদী নারীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন। আসামে প্রচারের সূচি কাটছাঁট করে তড়িঘড়ি দিল্লিতে ফিরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

 

এর আগে ২০১০ সালে দন্তেওয়াড়ার চিন্তলনারে মাওবাদী এলাকা দখলে রাখার অভিযান চালাচ্ছিল সিআরপি। তখন মাওবাদী হামলায় ৭৬ জন জওয়ান নিহত হয়েছিলেন।

 

ওই হামলার ঘটনাকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ওপর সবচেয়ে বড় মাওবাদী হামলার ঘটনা বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞেরা।

 

সিআরপি বলছে, গত কয়েক দিন ধরে সুকমা-বিজাপুর সীমানার জাগারগুন্ডা-জোঙ্গাগুড়া-তারেমের জঙ্গলে মাওবাদীরা জমি ফিরে পেতে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে গোয়েন্দা রিপোর্ট ছিল।

 

মাওবাদীদের গতিবিধির খবর পেয়ে গতকাল ভোরে অভিযানে নামে সিআরপি, কোবরা, ছত্তীসগঢ় পুলিশের ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড ও অন্য বাহিনীর দেড় হাজার জওয়ানের একটি দল।

 

গত কাল ভোরে জাগারগুন্ডা-জোঙ্গাগুড়া-তারেমের একটি এলাকায় ৭৯০ জন জওয়ানের একটি দলকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় মাওবাদীরা।

 

সিআরপি জানায়, প্রায় চারশ মাওবাদী লাইট মেশিনগান, গ্রেনেড, রকেট নিয়ে হামলা চালায়। মাওবাদীরা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও গাছের আড়াল নিয়ে জবাব দেন জওয়ানরা।

 

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এক জায়গা থেকে সাত জন জওয়ানের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে গাছের ডালে অসংখ্য গুলির চিহ্ন আছে। তা থেকেই বোঝা যাচ্ছে- জওয়ানরা গুলি শেষ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছেন।


error: Content is protected !!