ঢাকা, সোমবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, সোমবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর অপেক্ষা…!!

আগামী রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে। তাই শ্রেণি কক্ষে আবারো দেখা হবে। আর সেই অপেক্ষায় চাঁদপুরের পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী। এরই মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চত্বর এবং শ্রেণি কক্ষগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন প্রায় সম্পন্ন করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার বাকি। আজ শুক্রবার বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা গেছে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সঙ্গে শিক্ষকরাও হাত মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছেন।

 

চাঁদপুরে ৮ উপজেলায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদরাসা এবং কলেজ মিলিয়ে দুই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছেন। এর মধ্যে ১২ শ‘র মতো রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়। করোনার দীর্ঘ দেড় বছর জুড়ে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শ্রেণি কক্ষগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তবে কোথাও কোথাও তার ভিন্নতা দেখা গেছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান চত্বর ও শ্রেণি কক্ষ ঝকঝকে। আবার এমনও দেখা গেছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার পর প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নড়েচড়ে বসেন। এরপরই প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা ব্যস্ত হয়ে উঠেন। অনেকেই চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিজেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় অংশ নেন। তাদের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদেরও কাজ করতে দেখা গেছে।

 

চাঁদপুর পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার কুমার মজুমদার জানান, করোনার কারণে গত দেড় বছরে তার প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শ্রেণি কক্ষ এবং কলেজ চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়েছে। তাছাড়া প্রতিনিয়ত তদারকি থাকায় এসবের প্রতি যত্ন নেওয়া সম্ভব হয়েছে। ফলে কলেজে শিক্ষার্থীদের পদচারণা না থাকলেও পরিবেশটা সেই আগের মতোই রেখেছি।

 

চাঁদপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্ত গিয়াসউদ্দিন পাটোয়ারী জানান, জেলায় মাধ্যমিক ও কলেজ মিলিয়ে ৩৩৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সরকারি নির্দেশনার পর থেকেই কঠোর মনিটরিং করে শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাহাবউদ্দিন জানান, করোনার কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সরাসরি পাঠদান না হলেও প্রধান শিক্ষক এবং অন্যদের উপস্থিতি ছিল। তারপরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয় কোথাও কোনো ঘাটতি রাখা হয়নি। সুতরাং সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী রবিবার শ্রেণি কক্ষে পাঠদানের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

 

এদিকে, জেলা শহরের বেশকিছু দর্জির দোকানে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিয়ে ছুটে যান। তাদের লক্ষ্য সন্তানের আবদার মেটাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন পোশাক তৈরি করা।

 

অন্যদিকে, বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপির নিজ জেলা চাঁদপুর হওয়ায় এখানে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা তাদের প্রতিষ্ঠানের মান বজায় রাখতে আগে থেকেই বেশ সতর্ক।


error: Content is protected !!