ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ই জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ই জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আব্দুর রাজ্জাকের নামে পদ্মা সেতুর নাম করণের দাবী জানিয়েছেন “শরীয়তপুর ফাউন্ডেশন”

পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করতে আমাদের জাতীয় বীর আব্দুর রাজ্জাক নৈপথ্যে কাজ করেছেন। পদ্মা সেতু প্রথম মাদারীপুর এর পরির্বতে শরীয়তপুর জেলায় আনতে আব্দুর রাজ্জাক নৈপথ্যে কাজ করেছেন। জাতীয়নেতা আব্দুর রাজ্জাকের নৈপথ্যের স্বাক্ষী বাংলাদেশের অনেক জাতীয় নেতৃবৃন্দ।

ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বাবুল হোসেন জমাদার বলেন – আব্দুর রাজ্জাক শুধু আওয়ামীলীগের জাতীয় নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের জাতীয় নেতা। তিনি আরো বলেন, আব্দুর রাজ্জাক দুই দুইবার ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুই বার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু তার মধ্যে কোন অহমিকা ছিল না। তিনি কর্মীর মত কাজ করতেন। তিনি কর্মীদের নির্দেশ নয়, ভালবাসা দিয়ে কাজ করাতেন। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর আব্দুর রাজ্জাক দলকে তৃণমূল থেকে সংগঠিত করার কাজ করেছেন। তাছাড়া তিনি দলের জন্য শেষ সময় পর্যন্ত কাজ করে গেছেন।

শরীয়তপুর ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মোঃ বাচ্চু বেপারী বলেন – আধুনিক শরীয়তপুরের রূপকার ও জাতীয় বীর আব্দুর রাজ্জাক কে মানুষের মধ্যে জীবিত রাখতে আব্দুর রাজ্জাকের নামে পদ্মা সেতুর নামকরণ করা হউক। সংগ্রাম মুখর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আব্দুর রাজ্জাক তার সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বাঙালির স্বাধিকার স্বাধীনতা, শান্তি ও সামাজিক মুক্তির আন্দোলনে। ছাত্র জীবন থেকে অমৃত্যু তিনি ছিলেন বাঙালি জাতির প্রতিটি গনতান্ত্রিক আন্দোলনে প্রথম সারির সংগঠক ও নেতা। তিনি ছিলেন ৭১-এর ঘাতক দালাল ও যুদ্ধপরাধীদের বিচারের দাবিতে গড়েওঠা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা। একটি উন্নত সমৃদ্ধ সুখী সুন্দর অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার সংগ্রামে প্রয়াত জননেতা আব্দুর রাজ্জাকের অনন্য অবদান বাঙালি জাতি কোন দিনই ভুলবে না।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, শরীয়তপুর ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বুলু , , বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ডামুড্যা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাহিম রাজ্জাক সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গাজী মো : মানিক শরীয়তপুর ফাউন্ডেশন ৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান কবির, সাংবাদিক রাশেদুল হাসান বুলবুল, প্রমুখ।